ক বি স ন্দী প সা হু


 সন্দীপ সাহু


জন্ম:- ৫ জুন,১৯৭১।১৯৮৫ থেকে লেখা শুরু। পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও বাংলাদেশের নানা পত্রিকায় লিখে চলেছেন। মূলত কবিতা ও প্রবন্ধ লেখেন। স্রোত (ত্রিপুরা), গাঙচিল (বাংলাদেশ), শঙ্খচিল (পুরুলিয়া),  শিল্প ও সাহিত্য (পশ্চিম বর্ধমান) কর্তৃক পুরস্কৃত। এছাড়া রয়েছে বিভিন্ন পত্রিকা ও সাহিত্য সংস্থা প্রদত্ত শতাধিক হলমার্ক সম্মান।নিজ সম্পাদিত পত্রিকার নাম "নব জিজ্ঞাসা"।দুটিখানি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ পেয়েছে, আরেকটি প্রকাশ পেতে চলেছে।১."কাঁটাতার উপড়ে নিয়েছে কেউ"- স্রোত প্রকাশনা, আগরতলা। আগরতলা বইমেলায়।২. "পৃথিবীটা একটা বাক্য হতে পারতো"- গাঙচিল প্রকাশনা, ঢাকা। ঢাকা বইমেলা।৩."তুমি, শুধু তুমি"- প্রীতিকণা প্রকাশনা, কোলকাতা। কোলকাতা বইমেলায় প্রকাশ পাবে।


দুটি কবিতায়
কবি সন্দীপ সাহু


ভালোবাসি তোমায়


তোমার মতো আমিও ভালো নেই, প্রিয় ফুল। এখনো মনে পড়ে প্রথম দেখা তোমার হাওয়ায় দোল খাওয়া। প্রথম শোনা তোমার ঝরণার শব্দ। বাঁকে বাঁকে নদী যেমন নাচে, তেমন নাচ তোমার প্রথম দেখা। শাড়ীতে রামধনু খেলেছিল সেদিন। ব্লাউজে আঁকা ছিল কোনারক-ছবি। তোমার শরীরটা হয়েছিল আকাশ। দেখে ছিলাম চাঁদ, কাজল-তারা প্রথমবার। তোমার শরীরটা হয়েছিল পৃথিবী। দেখেছিলাম পাহাড় উপত্যকা নদী বন সাগর প্রথমবার। 


তোমার তারায় আমার তারা মিলেছিল। অনন্তকালের অনন্ত আমার তোমার ছবি আঁকা সেই মিলনে। এ সবই অনন্ত নাটক। জীবন নির্ধারিত দৃশ্যপটে আমি তুমি কতবার মিলেছি। কত কথা বলেছি। কত স্বপ্ন জন্ম নিয়েছে আমাতে তোমাতে। ভালোবাসা-হাওয়ায় উড়েছি কত কত অচিন দেশে‌, শুধু আমি তুমি জীবনের নির্দেশনায়।


ঝড় নদীতে আবশ্যক। জীবনেও। জীবনও নদী। প্রচণ্ড ঝড়ে সব কিছু তছনছ হয়। নদীও গতি-পথ পরিবর্তন করে।


ফুল, তোমার দোল খাওয়া মাথা, ঝরণা নদী সাগর পাহাড় বন আকাশ ... সব সমান্তরাল হয়ে গেল আমার সঙ্গে। তোমাকে দেখতে পেতাম। দূরত্ব বাড়তে বাড়তে দু'টি সমান্তরাল রেখা পরস্পরের কাছে অদৃশ্য হয়ে যায়।


দুটি রেখা আকুল হয়ে চেয়ে থাকে অদৃশ্যে। চেয়ে থাকতে থাকতে অদৃশ্যে মিলিয়ে গেছি তুমি আমি। ভালো থাকাটা অবান্তর!


ভোর


ভোর এমনি এমনি হয় না।

পৃথিবীকে অনেকটা পথ হাঁটতে হয়

নিকষ আঁধারে।

ধ্রুবতারার তা-এ হৃদয় রেখে।


সাত নভেম্বর কিম্বা ২১ - এর প্রভাতফেরি যেমন



Comments

Popular posts from this blog

স ম্পা দ কে র জা না লা

অ নু বা দ ক বি তা য় ক বি স প্ত র্ষি রা য়