ক বি ব ন শ্রী রা য় দা স
বনশ্রী রায় দাস
জন্ম :-১৬ ডিসেম্বর,১৯৭৫,পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তামলদা গ্রামে।শিক্ষা : ইতিহাসে স্নাতক বিদ্যাসাগর ইউনিভার্সিটি থেকে ।ব্রতচারী। রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী । নিপাট ঘরকন্নার মাঝে কবিতা লেখা । ছোট বেলা থেকেই শুরু হয়েছিল।এখনো চলছে নিজস্বতায়।পাশাপাশি প্রবন্ধ ও গল্প লেখেন নিপুণ অনুভবের মূর্ছনা কথায়।বহু পত্র পত্রিকায় কবিতা প্রকাশিত হয়ে চলেছে। এখনো খোঁজ করে চলেছেন অনন্তের । প্রথম কাব্যগ্রন্থ- - নৈঃশব্দ্যের বতিঘর । পাঠক মহলে স্বমহিমায় সমাদৃত । এবং সৃজন সম্মানে সম্মানিত ২০১৬ সালে। দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ- -অনন্তের স্পর্শধ্বনি সবার মন জয় করতে সক্ষম হয়েছে এবং" নবপ্রভাত " রজতজয়ন্তী সম্মাননা ও পুরস্কার লাভ করে ২০১৭ সালে।তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ ---" মগ্ন জলের অন্তরা " লাভ করেছে " আরাত্রিক" পত্রিকার পক্ষ থেকে সর্ব শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ হিসেবে " ডলি মিদ্যা স্মৃতি পুরস্কার "--- ২০১৯ ।এছাড়া ও দুই বাংলার অক্ষরকর্মী পদক এবং নারী কেন্দ্রিক পত্রিকার পক্ষ থেকে নারী কবি হিসেবে "যদি জানতে" পুরস্কার ও সম্মাননা গ্রহণ ২০২১ সালে চতুর্থ কাব্যগ্রন্থ- " বেদুইন মেঘের ইশারা "প্রকাশের পথে পঞ্চম কাব্যগ্রন্থ " নীল অর্কিডের আত্মকথা "।
বুদ্ধং শরণং
মাধবীলতা জড়ানো ঝুলবারান্দা দিলে ,
পরিপাটি ঘর, মৌমাছির গুঞ্জন তবে কেন জানালার ওপারে আকাশটা এত অচেনা ?
বেতবনে ময়ূরপঙ্খী সাজ দেখেছি তোমার
কখনও চতুর মাছ হয়ে ছুঁয়ে যাও মৃগনাভি ।
খিড়কি পৃথিবী থাকে পৃথিবীর গোপনীয়তায়
তার বাসিন্দা আমি, একথা সবার জানা ,
প্রয়াসই কানফাটা চিৎকার করতে করতে
গা ঘেঁষে উড়ে যায়, জল চায় চাতকের তৃষ্ণা...
ফোটা ভাতের ধোঁয়ায় মিশে যাচ্ছে আমার পরিচয় ,
নাগপাশ থেকে নিজেকে মুক্ত করে
মোক্ষ কামনায় নিজেকে সঁপে দিই
বোধিবৃক্ষের নম্র ছায়াতলে। বুদ্ধং শরণং গচ্ছামি।
শরৎ ও রূপনারায়ণী কথা
মায়ে ছায়ে আর ছায়ে মায়ের সম্পর্ক দিনরাত যেমন সত্য,
বাকি সব কিছুতে লেগে আছে কার্যকারণ গন্ধ ,
চটকদারি রঙবেরঙের বিজ্ঞাপন যেন !
বাসি বিস্কুটের মতো সংরক্ষণের অভাবে নেতিয়ে পড়ে সম্পর্ক।
বিশ্ব-বুলন্দ দরজা ঠেলে ঢুকে পড়েছে মহামারী ...
এই যে ডিজিটাল যুগের এত ব্যস্ততা, সময়ের চাকায় পিষ্ট হয়ে উধাও পূর্বরাগের রাধাকুঞ্জ,
শ্যামকুঞ্জে বাঁশি বাজে না আর, সেখানে এখন ভিড়ে ঠাসাঠাসি আসে দুয়ারে সরকার ।
কতদিন নীল আকাশ দেখিনি ওই তারার ভিতর
স্নানঘরের আয়নায় নদী আসে না বহু যুগ ,
গুরুমারা জঙ্গলে দেখেছি একটি গাছ জড়িয়ে ধরে আর একটি বৃক্ষ-লতাকে,
তারপর এগিয়ে আসে আরও ... আরও গাছ ....
এখন আপনার চেয়ারের হাতলে স্পর্শ করে রোমাঞ্চিত হতে পারি না, একটা দলা পাকানো কষ্ট নিয়ে
জলের ভিতর খুঁজি কার্তিক গনেশকে !
আমি আপনাকে বলি এই দুঃখ সাগরের নোনা অন্তহীন...
আজ বৃষ্টি হবে খুব আমি আপনাকে পাঠ করব
আর শরৎ, রূপনারায়ণী মিলেমিশে বয়ে যাবে অনাদি অনন্তে।
ভীষণ সুন্দর হয়েছে
ReplyDeleteসুন্দর দুটি কবিতা
ReplyDeleteSunder Sunder khubiy sunder.
ReplyDeleteKhub valo laglo